- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ভ্রমণ প্রিয় বাঙালি প্রায় সারা বছর ঘুরে বেড়ায়। সময় পেলেই বেড়িয়ে পড়ে কাছে দূরে। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কাছেই আছে কম খরচে ভ্রমণের এমন এক জায়গা যেখানে গেলে নৌকা ভ্রমণ, পাখি দেখা, গ্রাম ঘুরে বেড়ানোর মতো আনন্দ উপভোগ করা যায়। জায়গাটা হলো চুপি পাখিরালয় বা চুপির চর।
চুপির চর আগে নদীর সাথেই যুক্ত ছিল। সময়ের সাথে সেটা নদীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পরিণত হয় বিশাল জলাশয়ে। স্থানীয় লোকেরা ওটাকে ছাড়ি গঙ্গাও বলে থাকে।
কিভাবে যাবেন, কত খরচ?
কলকাতা থেকে কম বেশি ১৩০ কিলোমিটার দূরে এই জায়গা। যেটা থেকে বা না থেকেও ঘুরে আসা যায়। যদি না থাকতে চান তাহলে সকাল সকাল বেড়িয়ে হাওড়া থেকে ট্রেন ধরতে পারেন বা নিজের গাড়ি নিয়ে বা গাড়ি বুক করে বেড়িয়ে পড়তে পারেন। হাওড়া থেকে কাটোয়া লোকাল ধরে চলে যান পূর্বস্থলী। ট্রেন ভাড়া ২৫ টাকা। পূর্বস্থলী নেমে টোটো বা ভ্যান রিক্সা ধরে চলে যেতে পারেন চুপি পাখিরালয় বা চুপির চর। টোটো ভাড়া ২০ টাকা, ভ্যান ভাড়া ১০ টাকা।
কি দেখবেন?
চুপি পাখিরালয় নাম শুনেই বুঝতে পারছেন, ওটা পাখি দেখার জায়গা। শীতকালে দেশ বিদেশ থেকে প্রচুর পাখি এসে জমা হয় ওখানে। প্রচুর পর্যটক, ফটোগ্রাফার ভিড় করে ওই সময়। চুপি চরের প্রচুর বিদেশী পাখির মধ্যে মূল আকর্ষণ Red-Crested Pochar। প্রচুর সংখ্যায় আসে ওই পাখি।
কিভাবে ঘুরবেন?
চুপির চরে ঘোরার প্রধান উপায় নৌকা। নৌকা করেই যেতে হয় পাখি দেখতে। নৌকা ভাড়া ১৫০ টাকা প্রতি ঘন্টা। একটা নৌকায় ৪ জন করে নেয়। সময় বিশেষে বা নিজেদের পেটের কথা ভেবে ৫ থেকে ৬ জন ও তুলে নেয়। নৌকা দুটো দিকে যায়। একটা দিকে শুধু পাখি। পাখিরালয় ঘাট থেকে ডান দিকে পরে সেটা। মোটামুটি ৩ ঘন্টা হলেই ভালো করে ঘুরে পাখি দেখা যায়। আর নৌকা ঘাট থেকে বাম দিকে আছে আমাজনের স্বাদ। যেটা একটা খাড়ি দিয়ে চুপি চর নদীতে গিয়ে মেশে। সেটার জন্য সময় লাগে মোটামুটি ৫ ঘন্টা।
কোন সময় যাবেন?
চুপি চরে বেড়াতে যাবার সেরা সময় ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারী। শীতকালেই সবথেকে বেশি পাখি আসে। দেশ বিদেশ থেকে প্রচুর পাখি এসে জমা হয় শীতকালে। শীত শেষে আবার ফিরে যায় ওরা।
কোথায় থাকবেন?
ওখানে থাকার জায়গা বিশেষ কিছু নেই। তবে চুপি পাখিরালয় আবাসন আছে যেটা বেসরকারি ভাবে পরিচালনাধীন। তাই আগে থেকে বুকিং করে যেতে হয়। চুপি চরের আগে দু - একটা হোমস্টে চোখে পড়বে তবে তাদের তেমন প্রচার নেই। পাখিরালয় আবাসনের ট্যারিফ এই লিঙ্ক থেকে দেখে নিতে পারেন আর বুকিং করতে পারেন। থাকা খাওয়ার সব ব্যবস্থা সব ওরাই করে।
না থেকেও ঘোরা যায়। আমি নৌকায় ঘোরার সময়টাও বলে দিয়েছি। তাই সময় হিসাব করে বেড়িয়ে পড়তে পারেন। ওখানে লোকাল লোকেদের দ্বারা পরিচালিত অস্থায়ী হোটেল আছে, যেখানে ব্রেকফাস্ট থেকে লাঞ্চ সব পাওয়া যায়। দামটাও সাধ্যের মধ্যে।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন